রিয়েল লাইফে একটা অবজেক্টের কথা চিন্তা করি আমরা। যেমন তোমার পোষা কুকুরের নাম Doggy। Doggy একটি রিয়েল লাইফ অবজেক্ট। তার কারণ এটির:
১. একটি নাম(Unique Identity) আছে Doggy
২. কিছু বৈশিষ্ট্য(State) আছে যেমন: চারটা পা, দুইটা কান, গায়ের রং কালো, বড় দাঁত ইত্যাদি।
৩. কিছু করার ক্ষমতা(Functionality/Behavior) আছে যেমন: তুমি ডগি বলে ডাক দিলে কাছে আসে, তুমি থামো বললে সে দাঁড়িয়ে যায়, ক্ষুধা লাগলে শুয়ে পড়ে পেট দেখায় এমন।
আসলে বাস্তব জীবনে যে কোন জিনিসই একটা অবজেক্ট যার উপরের তিনটা ফিচার থাকবে।
প্রোগ্রামিং এ-ও অবজেক্ট বিষয়টা এরকমই। আমরা একটু আগে একটা বেসিক কারের ডিজাইন তৈরী করেছিলাম (অর্থাৎ বেসিক-কার(BasicCar) ক্লাশ তৈরী করেছিলাম যাতে বেসিক কারের ডিজাইন আছে)। এই বেসিক ডিজাইনগুলো নিয়েই যদি আমরা একটা কার তৈরী করে ব্যবহার করতে যাই তাহলে ওই BasicCar ক্লাশটির অবজেক্ট তৈরী করতে হবে। তাহলেই আমরা একটা বেসিক কার পেয়ে যাব। এবং রিয়েল লাইফ অবজেক্টের মত সেটারও তিনটা জিনিস নাম, কিছু বৈশিষ্ট্য এবং কিছু করার ক্ষমতা থাকবে।
জাভাতে একটা ক্লাশ থেকে অবজেক্ট তৈরী করা খুব সহজ। যেমন দেখো:

BasicCar ক্লাশটি তৈরী করার পূর্বে আমাদের AmraSobaiProgrammer নামে একটি ক্লাশ ছিলো প্রথম থেকেই। আমরা সেই ক্লাশের main মেথডেই BasicCar ক্লাশের একটা অবজেক্ট তৈরী করেছি। এখানে নিয়মটা(Syntax) এরকম:
class_name object_name = new class_name();

এখানে class_name এর জায়গায় যে ক্লাশটির অবজেক্ট বানাতে চাচ্ছ সেই ক্লাশের নাম লিখবে। আর object_name এর জায়গায় অবজেক্টটিকে যে নাম দিতে চাও সে নাম লিখবে।
ব্যস তৈরী হয়ে গেল একটি অবজেক্ট।
এবং আরেকটা ব্যাপার হলো একটি ক্লাশের তুমি একের অধিক/অনেকগুলো অবজেক্ট তৈরী করতে পারো।
যেমন:

নোট: অবজেক্টকে ক্লাশের ইন্সট্যান্সও(Instance) বলে। এবং বলা হয় যে একটা ক্লাশকে ইন্সট্যানশিয়েট (Instantiate) করলে অবজেক্ট তৈরী হয়।