অপারেটর এবং প্রিসিডেন্স (Operator and Precedence)


ধরো তোমাকে বলা হলো, খাতায় ৮ এবং ৪ যোগ করে দেখাও। তুমি তখন ৮ এবং ৪ যোগ করার জন্য (+) চিহ্ন ব্যবহার করবে তাই না? এই (+) চিহ্নটাই মূলত অপারেটর(Operator)।

কিছু একটা অপারেশন করার ক্ষমতা যার আছে সে-ই হচ্ছে অপারেটর। তুমি খাতায় যেমন দু’টি সংখ্যা যোগ করার জন্য (+) চিহ্ন ব্যবহার করেছ তেমনি কম্পিউটার প্রোগ্রামেও এই চিহ্নগুলো ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজ করা যায়। যেমন খাতায় (+) চিহ্নটি যোগের কাজ করেছে তেমনি কম্পিউটার প্রোগ্রামেও এই চিহ্নটি দু’টি মান যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। পার্থক্য শুধু একটাই। খাতায় তুমি এটাকে বলছো যোগ চিহ্ন আর প্রোগ্রামিং এ এটাকে বলছো অপারেটর, এই যা!

প্রোগ্রামিং এ কয়েক ধরণের অপারেটর আছে।

  • এ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর(Assignment Operator)

  • এ্যারিথমেটিক অপারেটর(Arithmetic Operator)

  • রিলেশনাল অপারেটর(Relational Operator)

  • লজিক্যাল অপারেটর(Logical Operator)

  • টারনারি অপারেটর(Ternary Operator)

এগুলো সবগুলোই এক একটি ক্যাটাগরি। প্রত্যেকটা ক্যাটাগরিতেই বেশ কয়েকটি করে অপারেটর আছে। আমরা উদাহরণ সহকারে সবগুলো বিস্তারিত দেখবো।